বুধবার, মার্চ ৪, ২০১৫ ১২:৪৯ এ.এম
জেলা ডেস্ক, দেশের বার্তা.কম
বরিশাল: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ভিটাখালী লঞ্চঘাটে ঢাকাগামী দুই লঞ্চের সংঘর্ষে প্রায় ২০ যাত্রী আহত হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী লঞ্চ যাত্রী মির্জা খালেদ জানান, বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলা থেকে বিকেল ৪টায় সুন্দরবন-৫ এবং সৈকত-১ নামের দুইটি ডাবলডেকার লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে। আমতলী থেকে ছেড়ে আসা সৈকত-১ লঞ্চটি পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের ভিটাখালী লঞ্চঘাটে পৌঁছে পুরো পল্টুন দখল করে নেয়। কয়েক মিনিট ব্যবধানে সুন্দরবন লঞ্চটি ভিটাখালী ঘাটে পৌঁছায়। কিন্তু সৈকত লঞ্চটি সুন্দরবন লঞ্চকে দীর্ঘ সময়েও ঘাটে নোঙর করার সুযোগ না দেয়ায় দাঁড়িয়ে থাকে। একপর্যায়ে সুন্দরবন নোঙর করার চেষ্টা চালালে দুই লঞ্চের মধ্যে ধাক্কা লাগে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সৈকত লঞ্চের স্টাফরা ইট-পাথর নিক্ষেপ করতে থাকে সুন্দরবনকে উদ্দেশ্য করে। তখন দ্রুত সুন্দরবন ঘাট ত্যাগ করে। ওই হামলায় সুন্দরবন লঞ্চের রফিকুল ইসলাম (৩২), হাসি (১৮), মাহফুজা (৩), সুরমা বেগম (২৭), মোহাম্মদ আলী (২৫) ও আব্দুর রাজ্জাক (২২) রক্তাক্ত জখম হয়। এছাড়া আরো ১৫ যাত্রী ইটের আঘাতে আহত হয়েছে। ওই হামলায় সুন্দরবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান লঞ্চযাত্রীরা।
সুন্দরবন-৫ লঞ্চের মাষ্টার রুহুল আমিন বলেন, ‘আমরা যাতে ভিটাখালী স্টেশন থেকে যাত্রী উঠাতে না পারি এজন্য সৈকত লঞ্চের স্টাফরা ওই স্টেশনে আমাদেরকে নোঙর করতে দেয়নি এবং একপর্যায়ে আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে যাত্রী আহতসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। আমরা সহিংসতায় না গিয়ে দ্রুত ওই স্টেশন ছেড়ে আসি।
এ ব্যাপারে মালিক পক্ষের সিদ্ধানস্ত অনুযায়ী সৈকত লঞ্চের স্টাফদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ এ ব্যাপরে সৈকত লঞ্চের মাষ্টার মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘সুন্দরবন লঞ্চটি আমার লঞ্চের পিছন দিক থেকে ধাক্কা দেয়।
দেশের বার্তা/সাইফবা
মির্জাগঞ্জে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে ২০ যাত্রী আহত
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন