দেশি বার্তা - ২৪ ঘন্টা দেশের খবর

মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০১৫

আজ গুলশান কার্যালয়ে কোকো`র চেহলাম | সময়ের কন্ঠস্বর


ddsঢাকা : বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বুধবার গুলশানে নিজ কার্যালয়ে ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর চেহলাম আয়োজন করেছেন। খালেদার প্রেসসচিব মারুফ কামাল খান এই অনুষ্ঠানের কথা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। খালেদার সঙ্গে দুই মাস ধরে ওই কার্যালয়ে অবস্থানরত মারুফ কামাল মঙ্গলবার রাতে সাংবাদিকদের জানান, বুধবার সকাল থেকে কুরআনখানি অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাদ আসর দোয়া মাহফিল হবে।


খালেদা জিয়া সারাদেশে দলের নেতা-কর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আরাফাতের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করার আহ্বান জানিয়েছেন বলেও প্রেসসচিব জানান।


মুদ্রা পাচারের মামলায় দণ্ড নিয়ে মালয়েশিয়ায় পালিয়ে থাকার মধ্যে গত ২৪ জানুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান আরাফাত।


আরাফাতকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়। তার মৃত্যুর দিন থেকে গুলশান কার্যালয়ে প্রতিদিন কুরআনখানি ও দোয়া মাহফিল হচ্ছে।




আজ গুলশান কার্যালয়ে কোকো`র চেহলাম |
সময়ের কন্ঠস্বর

আত্মবিশ্বাস খুঁজে পাওয়ার ম্যাচ |


রিচমন্ড পাহাড়ের চূড়ায় জোট বেঁধেছে কালো মেঘের দল। নেলসনের অধিবাসীরা ওখানে চোখ রেখেই নাকি পড়ে নিতে পারে আকাশের মন। এখানকার রেডিওতেও বলছিল তা। ম্যাচের দিন মেঘলা থাকবে আকাশ। স্যাক্সটন ওভালের যে দিকটায় পাহাড়ের গায়ে হেলেছে মেঘ, সেদিকটায় একবার তাকিয়ে চোখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন অন্য পাশের তাসমান পাড়ে। সেখানে অনিশ্চয়তার মেঘ নয়, অনিন্দ্যসুন্দর সূর্য খুঁজে পেয়েছিলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা_ ‘পাহাড়ের দিকে নয়, সমুদ্রের দিকে দেখুন, ওখানে চকচক করছে রোদ্দুর …।’ বিশ্বকাপের যে সূর্য মেলবোর্নে ঢাকা পড়েছিল হতাশার অন্ধকার মেঘে, নেলসনে সেটা থেকেই ফের জ্যোতি ফিরে পেতে চান মাশরাফিরা। আজ দিন শেষে ভোরে এই মাঠে যখন স্কটল্যান্ডের সঙ্গে খেলতে নামবেন তারা; বাংলাদেশে তখন ভোর রাতের আড়মোড়ানি। রিচমন্ডের মেঘ-রোদ্দুরের খেলা নয়, ঘড়িতে অ্যালার্ম দিয়ে তারা সাকিব-তামিমদের চার-ছক্কার রোমাঞ্চ উপভোগ করতে চায়। টেনশন ফ্রি নিশ্চিত একটি জয় দেখতে চায়। যেটা আশা করা দোষের কিছু নয়।আত্মবিশ্বাস খুঁজে পাওয়ার ম্যাচ


ধারে এবং ভারে সব দিক থেকেই স্কটল্যান্ডের সঙ্গের এ ম্যাচে ফেভারিট বাংলাদেশ। তবে স্যাক্সটন ওভাল ফেভারিটদের জন্য ভয়ঙ্কর একটি নাম। ক’দিন আগেই এই মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছিল আয়ারল্যান্ড। সেদিনের পর আইরিশ অধিনায়কের দেওয়া একটি অটোগ্রাফও রেখে দিয়েছেন কিউরেটর। মোটা গোঁফে হাত বুলিয়ে সেটা দেখিয়েই কিউরেটর বলছিলেন, ফেভারিটরা সাবধান! ভয় দেখাচ্ছেন আরও অনেকে। শেন জার্গেনসেনকে ক’দিনের জন্য ফিজি থেকে আনা হয়েছে শুধু সাকিবদের ইনফরমেশন ফাইলগুলো ওপেন করতে। তবে কবে, কার উঠোন ভেঙেছে সেটা নিয়ে ভাবার সময় নেই বাংলাদেশ দলের_ ‘এখনকার সময়ে তথ্য জানার জন্য অনেক উপায় আছে। টেলিভিশন, ভিডিওতে কারও খেলা দেখেই বিশ্লেষণ করা যায়।’ প্রতিপক্ষ শিবিরে গোয়েন্দার উপস্থিতি টের পেয়েও যেন গা লাগালেন না সাকিব। আসলে এ মুহূর্তে পয়েন্টের যে হিসাব-নিকাশ তাতে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য ‘মযার্দা’র লড়াই। ম্যাচটি জিতলে যেমন, হারলেও তেমন কোয়ার্টারে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে মাশরাফিদের জন্য। স্কটিশদের হারিয়ে মনের সে জোরটাই আরও দীপ্ত করতে চান মাশরাফিরা, যেটা দিয়ে পরের ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লড়াই করা যাবে। ‘সত্যি কথা বলতে কী এই ম্যাচটি আমাদের কাছে দু’দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, ম্যাচটি জিতলে দুটি পয়েন্ট পাওয়া যাবে। তবে কোয়ার্টারে যেতে হলে অবশ্যই ইংল্যান্ডকে হারাতে হবে। আর ইংল্যান্ডকে হারানোর জন্য যে আত্মবিশ্বাস, সেটা স্কটল্যান্ডের এই ম্যাচ থেকেই নিতে হবে।’ সোজাসাপ্টা কথায় ম্যাচের মূল্যমান বুঝিয়ে দিলেন অধিনায়ক।


টিম মিটিংয়েও ঠিক হয়েছে মেলবোর্নে যেসব ভুল হয়েছে তা শুধরে নেওয়ার মঞ্চ এই নেলসন_ যারা সেদিন খারাপ করেছিলে, আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলে, তারা যে যত পারো স্কটিশদের সঙ্গে ভালো খেলে তৈরি থাক ইংলিশদের বিপক্ষে চূড়ান্ত লড়াইয়ের জন্য। কোচ এবং অধিনায়কের মন বুঝতে পেরে এনামুল-তাসকিনরা গতকাল অনেকক্ষণ ক্যাচ প্র্যাকটিস করলেন। সেন্টার উইকেটে তামিমও অনেকক্ষণ চার-ছক্কায় হাত খুললেন। এমনিতে ছোট মাঠ হওয়ায় বাউন্ডারি হবে বেশি, তার ওপর পিচেও ঘাসের কোনো ডগা নেই, যা দেখে স্কটল্যান্ডের ব্যাটিং পরামর্শক পল কলিংউড মাশরাফিকে বলেই দিয়েছেন, এই মাঠে ২৮০ রান না করলে জেতার চিন্তা করো না। কিন্তু তিনশ’র কাছাকাছি রান করতে হলে তো টপ অর্ডারের কাউকেই আগে হাত তুলতে হবে। কে সে? তামিম না এনামুল? প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে খুব বেশি আত্মবিশ্বাসী দেখাল না অধিনায়ককে_ ‘তামিম কিংবা এনামুলের কেউ যদি বড় ইনিংস খেলে ফেলে, তাহলে আমাদের মিডল আর লোয়ার অর্ডার মিলে অবশ্যই তিনশ’র কাছাকাছি নিতে পারবে। কিন্তু গত কিছু ম্যাচে সেটা হচ্ছে কোথায় …।’


শেয়ারবাজারের মতো বাংলাদেশের পারফরম্যান্সের এই উত্থান-পতনকে দারুণভাবে মার্ক করেছে স্কটল্যান্ড। মাত্র এই ম্যাচের জন্য তারা ফিজি থেকে উড়িয়ে এনেছেন শেন জার্গেনসেনকে। ব্যাটিং কোচ হিসেবে ঠিক করেছে পল কলিংউডকে। বাংলাদেশের বাঁহাতি ব্যাটসম্যানদের জন্য বিশেষ কিছু পরিকল্পনাও তৈরি করেছেন তাদের কোচ। কিন্তু বাংলাদেশি স্পিন মোকাবেলার জন্য জুতসই কিছু খুঁজে পায়নি স্কটিশরা। ‘আমরা জানি বাংলাদেশের শক্তি তাদের স্পিনে। যেটাতে আমরা খুব একটা অভ্যস্ত নই। তবে এখানকার কন্ডিশনে স্পিনাররা খুব বেশি সুবিধা করতে পারবে না। আমাদের ব্যাটসম্যানরা তৈরি বাংলাদেশের সব বোলারকে মোকাবেলা করার’_ স্কটিশ অধিনায়ক প্রিসটন মমসেন প্র্যাকটিস শেষে বলছিলেন। নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনকে তিনি ভীষণভাবে কাজে লাগাতে চাইছেন। এবারের বিশ্বকাপে একটি জয়ও পায়নি তারা। আফগানিস্তানের সঙ্গে লড়াই হয়েছে, নিউজিল্যান্ডকেও শুরুতে কিছুটা ধাক্কা দিতে পেরেছে; কিন্তু জয় এখনও শূন্য_ ‘আমরা এখনও আইসিসির পূর্ণ সদস্য কোনো দেশকে ওয়ানডেতে হারাতে পারিনি। সুতরাং বাংলাদেশের সঙ্গে এই ম্যাচটি আমাদের জন্য দারুণ একটি সুযোগ।’ দুই দলের তিনটি ওয়ানডে খেলার ইতিহাস আছে। যার তিনটিতেই জয় বাংলাদেশের। তবে সেগুলো এত পুরনো যে, তার চেয়ে কাছাকাছি টি২০ ম্যাচটি আনতে চান স্কটিশ অধিনায়ক_ ‘২০১২ সালে নেদারল্যান্ডসে আমরা বাংলাদেশকে হারিয়েছিলাম। ভাবতে ভালো লাগে সেই ম্যাচে আমি নিজেও ছিলাম। তবে এখন ওয়ানডে খেলতে নামছি। আমাদের দলেও অনেক পরিবর্তন আছে। আশা করছি, দারুণ একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচ দেখাতে পারব।’


দামি সানগ্গ্নাসের ভেতর থেকেও স্কটিশ অধিনায়কের স্ব্বপি্নল চোখ দুটি দেখা যাচ্ছিল। বোঝা যাচ্ছিল একটি টেস্টখেলুড়ে দেশকে হারানোর ইচ্ছেটা কত প্রবল তাদের। এ নেলসনেই আইরিশরা রূপকথা লিখেছে, স্কটিশরাও চাইছে তেমনই এক উপাখ্যান তৈরি করতে। বাংলাদেশও চাইছে কোয়ার্টার ফাইনালের যাত্রাপথে এই নেলসন থেকেই প্রয়োজনীয় রসদ তুলে নিতে। তাই নেলসন হয়ে উঠেছে দু’দলের কাছেই আশার মঞ্চ।




আত্মবিশ্বাস খুঁজে পাওয়ার ম্যাচ |

আবারো সেরা ধনী বিল গেটস



আন্তর্জাতিক ডেস্ক




নিউইয়র্ক: দুই বছর ধরেই বিশ্বের সেরা ধনীর খেতাবটি হাতছাড়া ছিল মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের। চলতি বছর ফোর্বস ম্যাগাজিনের বার্ষিক বিশ্ব বিলিয়নেয়ারদের তালিকায় আবারো এক নম্বর স্থান দখল করেছেন এই প্রযুক্তিবিদ।



ফোর্বসের তালিকানুযায়ী, গত ২১ বছরে ১৬ বারের বিশ্বের সেরা ধনী ব্যক্তিটি তিনিই।



দুই বছর আগে মাইক্রোসফটের চেয়ারম্যানকে হটিয়ে ফোর্বসের এ তালিকার শীর্ষস্থানটি দখল করে নিয়েছিলেন মেক্সিকোর টেলিকম ব্যবসায়ী কার্লোস স্লিম হেলু।



কিন্তু এবার টেলিকম ব্যবসায়ীকে টপকে ফের শীর্ষস্থানে ফিরলেন প্রযুক্তি ব্যবসায়ী গেটস।



ধনীদের তালিকার তৃতীয় স্থানেও হয়েছে রদবদল। বৈশ্বিক বিনিয়োগকারী মার্কিন ধনকুবের ওয়ারেন বাফেট সরিয়ে দিয়েছেন স্প্যানিশ ফ্যাশন চেইন জারার প্রতিষ্ঠাতা আমাসিও ওর্তেগাকে। তিনিও দুই বছর আগে হারানো তৃতীয় স্থানের মুকুটটি পুনরুদ্ধার করলেন।



ফোর্বসের রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত গেটসের মোট সম্পদের পরিমাণ ৭৯.২ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের তুলনায় তার সম্পদ বেড়েছে তিন বিলিয়ন ডলার।



অন্যদিকে, কার্লোসের মোট সম্পদ ৭৭.১ বিলিয়ন ডলার। তৃতীয় স্থানে থাকা বাফেটের মোট সম্পদ ৭২.৭ বিলিয়ন ডলার। আর তালিকায় চতুর্থ ওর্তেগার মোট সম্পদ ৬৪.৫ বিলিয়ন ডলার।



সাময়িকীটি আরো জানায়, পৃথিবীব্যাপী এখন বিলিয়নেয়ারের সংখ্যা ১,৮২৬ জন। গত এক বছরে বিলিয়নেয়ার বেড়েছে ১৮১ জন।



শীর্ষ ১০ ধনীর তালিকায় ৫৪.৩ বিলিয়ন ডলার নিয়ে আরো আছেন সফটওয়্যার কোম্পানি ওরাকলের ল্যারি এলিসন, ৪২.৯ বিলিয়ন ডলার নিয়ে আরেক মার্কিন ধনকুবের ও ব্যবসায়ী চার্লস কোচ, একই পরিমাণ সম্পদ নিয়ে তার ভাই ডেভিড কোচ, যথাক্রমে ৪১.৭ ও ৪০.৬ বিলিয়ন ডলার নিয়ে ওয়ালমার্টের ক্রিস্টি ওয়ালটন ও জিম ওয়ালটন আর ৪০.১ বিলিয়ন ডলার নিয়ে দশম স্থানে রয়েছেন ল’রিয়েলের স্বত্বাধিকারী লিলিয়ান বেনকোর্ট।



পাঁচ ধাপ এগিয়ে ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গের নাম সেরা ২০ জনের মধ্যে উঠে এসেছে। সবচেয়ে তরুণ ধনকুবের হিসেবে তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন স্নাপচ্যাট নামের অ্যাপ্লিকেশনের প্রতিষ্ঠাতা ২৪ বছর বয়সী ইভান স্পাইগেল। সবচেয়ে কমবয়সী নারী বিলিয়নেয়ার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন এলিজাবেথ হোমস।



ফোর্বসের এ তালিকায় সেরা ২০ ধনীর মধ্যে ১৫ জনই মার্কিন নাগরিক। এ ছাড়া এবার ২৯০ জন নতুন বিলিয়নেয়ার এই তালিকায় প্রথমবারের মতো নিজেদের নাম লিখিয়েছেন। এর মধ্যে ৭১ জনই চীনের নাগরিক। অবাক করা বিষয়টি হচ্ছে, নতুন ধনীদের মধ্যে ৪৬ জন বিলিয়নেয়ারের বয়স ৪০-এর নিচে।



গত বছর তালিকায় থাকা বিলিয়নেয়ারদের ১৩৮ জন চলতি বছরের তালিকা থেকে ছিটকে গেছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ‘চকলেটের রাজা’খ্যাত পেত্রো পোরোশেঙ্কো।






আবারো সেরা ধনী বিল গেটস

এম এ লতিফ – Desi Barta


গোসাইলডাঙা শ্রী শ্রী শ্মশান কালীবাড়ি সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের ১৮০তম জন্মতিথি ১ মার্চ পালন করা হয়। এ উপলক্ষে ষোড়শ প্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞের আয়োজন করা হয়। এর পূর্বে পরিষদের সমন্বয়ক অশোক দাশগুপ্তের সভাপতিত্বে ধর্মীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এম এ লতিফ এমপি, বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক কাউন্সিলর মুহাম্মদ আসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন সমন্বয়ক নিধু পালিত ও মিহির দাশ রামু। সভাটির সঞ্চালনা করেন টিসু মল্লিক ও সুমন দাশগুপ্ত। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন মৃণাল চৌধুরী, রতন ঘোষ দেবু, প্রদীপ ধর, অসিত বরণ দে, অনিল চৌধুরী, পরিমল সিকদার, রুপন ধর, তিলক দত্ত, অনিল মল্লিক, অঞ্জন কানুনগো, সজিব বিশ্বাস প্রমুখ।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ‘সকল ধর্মের মূল কথা মানবসেবা। মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে একে অপরের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উন্নতির চরম শিখরে যেতে হবে। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ খ্রিস্টান বড় পরিচয় নয়, বড় পরিচয় আমরা বাঙালি। এ দেশে সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদের কোন স’ান নেই। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টকারীদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’ তিনি এলাকাবাসীকে সারদেশ্বরী প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় গভীর নলকূপ স’াপন ও মন্দির উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। বিজ্ঞপ্তি




এম এ লতিফ – Desi Barta

অন্বেষণ কুইজের এবারের বিজয়ী | পাঠক ভাবনা | ডিডাব্লিউ.ডিই



এ প্রশ্নে সঠিক উত্তর দিয়েছেন মোট ৪২৩ জন বন্ধু৷ সঠিক উত্তরদাতাদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়েছে৷



এবারের বিজয়ী হয়েছেন ইফতেখারুল আলম৷ প্রিয় আলম, আপনাকে অভিনন্দন! দয়া করে আপনার বিস্তারিত ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর এবং ই-মেল অ্যাড্রেস ডয়চে ভেলে বাংলার ফেসবুক পেজের মেসেজ বক্সে পাঠিয়ে দিন৷ আমরা বিজয়ী বন্ধুদের কাছে বিশেষ অনুরোধ করছি, বিজয়ী হওয়ার দু’সপ্তাহের মধ্যে ঠিকানা পাঠিয়ে দেবেন৷ তা না হলে পরে সেই পুরস্কারের জন্য বিজয়ী বন্ধুর আর কোনো দাবি থাকবে না৷ পুরস্কারটি পরবর্তীতে অন্য কোনো বিজয়ী বন্ধুকে পাঠানো যেতে পারে৷



কুইজ প্রতিযোগিতায় যাঁরা অংশ নিয়েছেন তাঁদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ৷ আর বন্ধুদের সবার কাছে আমাদের অনুরোধ, আপনাদের বন্ধুদেরও এই প্রতিযোগিতার কথা জানাবেন৷ জানাবেন ডয়চে ভেলের টেলিভিশন অনুষ্ঠান অন্বেষণ এবং ওয়েবসাইটের কথা৷



অন্বেষণ অনুষ্ঠানের হ্যাশট্যাগও রয়েছে৷ বাংলায় #অন্বেষণ আর ইংরেজিতে #onneshon লিখে ফেসবুক, টুইটারে মন্তব্য করা যাবে৷



আবারো ধন্যবাদ সকলকে৷ ডয়চে ভেলের সকল বন্ধুদের জন্য রইলো শুভেচ্ছা৷ আমাদের ওয়েবসাইটের নতুন আঙ্গিক সম্পর্কে আপনাদের সুচিন্তিত মতামত জানালে ভালো লাগবে৷



ডয়চে ভেলে বাংলা বিভাগ




অন্বেষণ কুইজের এবারের বিজয়ী | পাঠক ভাবনা | ডিডাব্লিউ.ডিই

নিখোঁজ পৌর মেয়রের লাশ মিলল আজিমপুর গোরস্তানে!



রাজশাহী অফিস :
রাজশাহী পবা উপজেলার নওহাটা পৌরসভার মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল গফুরকে হত্যার পর ঢাকার আজিমপুর গোরস্তানে দাফন করা হয়েছিল। এ ঘটনায় মেয়রের কথিত প্রেমিকা জান্নাতুন সালমা মীমের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তাকে নিয়ে গতকাল দুপুরে পবা থানা পুলিশের একটি দল আজিমপুর গোরস্তানে পৌঁছায়। বিকেলে তার লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।


মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পবা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ জানান, আজিমপুর গোরস্তানের রেজিস্ট্রি খাতায় মেয়র গফুরের মৃত্যু ৩ জানুয়ারি ও দাফন ৬ জানুয়ারি উল্লেখ করা হয়েছে। দ্বিতীয় দফা রিমান্ডে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জান্নাতুন সালমা মীম মেয়র আবদুল গফুরকে হত্যা করার কথা স্বীকার করেন।


পুলিশ পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ জানান, প্রথম দফায় চার দিনের রিমান্ড শেষে গত ১ মার্চ স্বীকারোক্তি দিতে চেয়েও মীম আদালতে মেয়র গফুরকে হত্যা করার স্বীকারোক্তি দিতে রাজি হননি। ফলে ওইদিন তাকে আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। দ্বিতীয় দফা রিমান্ডে তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী গতকাল সকালে তাকে নিয়ে পবা থানা পুলিশ ঢাকায় যায়। দুপুরে আজিমপুর গোরস্তানে মীমকে নিয়ে উপস্থিত হলে গোরস্তানের কেয়ারটেকার মেয়র গফুরকে দাফনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


আজিমপুর গোরস্তান এলাকার ইমাম হাফিজুল ইসলাম পুলিশকে জানান, মীম তাদেরকে বলেছিলেন ৩ জানুয়ারি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার ভাই আবদুল গফুর মারা গেছেন। দাফনের আগ পর্যন্ত লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে রাখা ছিল। এ ব্যাপারে হাসপাতালের একটি মৃত্যু সনদও দেখান তিনি। পরে ৬ জানুয়ারি আজিমপুর গোরস্তানে লাশ দাফন করা হয়। তবে ওই মৃত্যু সনদ পুলিশকে দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন মীম। পুলিশের ধারণা, মেয়র গফুরকে হত্যার পর হাসপাতালের ভুয়া মৃত্যু সনদ দেখিয়ে কৌশলে স্বাভাবিক মৃত্যু বলে লাশ দাফন করা হয়েছে।
পুলিশ পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে আজ বুধবার তারা লাশ নিয়ে রাজশাহী ফিরবেন। এরপর হত্যার রহস্য মিডিয়াকে জানাবেন।
পবা থানার ওসি মতিয়ার রহমান জানান, জান্নাতুন সালমা মীমের বাবার বাড়ি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায়। তার বিয়ে হয়েছে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া গ্রামের এমাজ উদ্দিনের ছেলে হারুন অর রশিদের সঙ্গে। হারুন ঢাকায় একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে চাকরি করেন। কয়েক বছর আগে তিনি নওহাটায় সায়াগ্রাম নামে একটি এনজিও প্রতিষ্ঠা করেন।


ওই এনজিওর নামে একটি ক্লিনিক খুলে নিজেকে এমবিবিএস চিকিত্সক দাবি করে চিকিত্সা কার্যক্রম চালাচ্ছিলেন হারুন ও মীম। দুই বছর আগে ওই এনজিও এবং ক্লিনিকটি তারা গুটিয়ে নেন। এরপর নওগাঁ গিয়ে সালমা ক্লিনিক নামে একটি ক্লিনিক খোলেন তারা। মীম ও তার বোন জান্নাতুন নাইম ওই ক্লিনিক দেখাশোনা করতেন। ওসি জানান, জান্নাতুন সালমা মীম নওহাটায় ক্লিনিক পরিচালনার সময় নিজেকে চিকিত্সক পরিচয় দিয়ে নওহাটা পৌর মেয়র আবদুল গফুরের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন।  নওহাটা পৌর মেয়র আবদুল গফুরের স্ত্রী ফজিলাতুন্নেসা পারুল জানান, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন মেয়র। গত ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত পরিবার ও নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে মোবাইলের মাধ্যমে মেয়রের যোগাযোগ ছিল। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ হন।


পবা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ৬ জানুয়ারি থেকে বন্ধ থাকার পর ১৬ ও ১৭ জানুয়ারি মেয়রের দুটি মোবাইল ফোন নম্বর থেকে তার ছেলের মোবাইলে দুটি এসএমএস আসে। ওই দুটি এসএমএসের একটিতে ২৫ হাজার টাকা এবং অন্যটিতে ৫০ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠাতে বলা হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন যোগাযোগ বিছিন্ন থাকার পর এসএমএস করে বিকাশে টাকা চাওয়ার বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে ১৯ জানুয়ারি মেয়রের স্ত্রী ফজিলাতুন্নেসা পারুল পবা থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। তখন পুলিশ তদন্তে নামে। পবা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ চাঞ্চল্যকর এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত হন। তিনি বলেন, মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে মেয়রের ফোন নাম্বারের অবস্থান ৭ জানুয়ারি নওগাঁ এবং তারপর থেকে ঢাকায় পাওয়া যায়। মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে গত ২৩ জানুয়ারি ঢাকার সংসদ ভবন এলাকা থেকে মীমকে আটক করা হয়। আটকের পর মীম নিজেকে মেয়রের স্ত্রী বলে দাবি করেন। এরপর ৩১ জানুয়ারি মীমের দুই বোন জান্নাতুন নাইম ও জান্নাতুন ফেরদৌসকে নওগাঁ ও ঢাকা থেকে আটক করে পুলিশ।




নিখোঁজ পৌর মেয়রের লাশ মিলল আজিমপুর গোরস্তানে!

কেমন হতে পারে লাফার্জের লভ্যাংশ?


Lafarge Surma Cement

লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট-লোগো



পুঁজিবাজারে সিমেন্ট খাতের কোম্পানি লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট লিমিটেড লভ্যাংশ ঘোষণা করতে যাচ্ছে।আগামী ৫ মার্চ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠেয় পর্ষদ সভা থেকে এ ঘোষণা আসতে পারে।ওই সভায় ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদন করা হবে।


২০০৩ সালে গ্রিনফিল্ড কোম্পানি হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর কখনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি বহুজাতিক এ কোম্পানি।সর্বশেষ হিসাব বছরের জন্য জুন মাসে প্রথমবারের মতো ৫ শতাংশ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ ঘোষণা করে।এখন চূড়ান্ত লভ্যাংশ হিসেবে বাড়তি লভ্যাংশ ঘোষণা করা হবে কিনা, হলে সেটি কত হতে পারে তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই।


হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকের আর্থিক তথ্য, ট্রেন্ড বা প্রবণতা, দেশের রাজনৈতিক-আর্থিক চিত্র ইত্যাদির আলোকে অর্থসূচক নিজস্ব পূর্বাভাস তৈরি করেছে।তবে বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে এ পূর্বাভাসকে খুব বেশী গুরুত্ব না দেওয়ার আহ্বান থাকছে।


আলোচিত হিসাব বছরের (জানুয়ারি’১৪-ডিসেম্বর’১৪) প্রথম তিন প্রান্তিকে লাফার্জের শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৮২ পয়সা। এটিকে অ্যানুয়ালাইজড করলে ইপিএস দাঁড়ায় ২ টাকা ৪২ পয়সা।



পর্ষদ আগামী দিনের সম্ভাব্য অনিশ্চয়তাকে বিশেষ গুরুত্ব দিলে অন্তর্বর্তী ও চূড়ান্ত মিলিয়ে মোট লভ্যাংশ হতে পারে ১০ শতাংশ।



অন্যদিকে গত কয়েক বছর ধরে দেশে সিমেন্ট খাতের প্রবৃদ্ধি ১০ থেকে ১৫ শতাংশের কাছাকাছি থাকছে।গত বছর লাফার্জের ইপিএস ছিল ২ টাকা ১৯ পয়সা। আয়ে ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়ে থাকে তাহলে ইপিএস দাঁড়ায় ২ টাকা ৪২ পয়সা।আর ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরলে তা হয় ২ টাকা ৫৩ পয়সা।


ইপিএস বিবেচনায় চাইলে কোম্পানিটি সহজেই ২০ শতাংশ পর্যন্ত লভ্যাংশ দিতে পারে।কিন্তু সাধারণভাবে কোনো কোম্পানি তার আয়ের পুরোটা লভ্যাংশ হিসেবে বিতরণ করে দেয় না। আয়ের একটি অংশ রিজার্ভ হিসেবে রাখে।লাফার্জও সেটি করবে এমনটি ভাবাই যৌক্তিক।অন্যদিকে দেশ এক ধরনের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক অচলাবস্থার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে।এমন অবস্থায় অনিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য রিজার্ভ একটু বেশী রাখার কথা ভাবতে পারে যে কোনো দূরদর্শী কোম্পানি।


লাফার্জের কাছে একটি বিশেষ অগ্রাধিকার আছে। সেটি হচ্ছে পুঁজিবাজারে তার ক্যাটাগরি পরিবর্তন।বর্তমানে কোম্পানিটি জেড ক্যাটাগরিতে আছে।একটি সুনামধারী বহুজাতিক কোম্পানি হিসেবে এটি এ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে পারে।এর জন্য প্রয়োজন ন্যুনতম ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা।প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে ৫ শতাংশ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।শর্ত পূরণের জন্য চূড়ান্ত লভ্যাংশ হিসেবে আর মাত্র ৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করলেই চলে।


পর্ষদ যদি আগামী দিনের সম্ভাব্য অনিশ্চয়তাকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়, তাহলে অন্তর্বর্তী ও চূড়ান্ত মিলিয়ে মোট লভ্যাংশ হতে পারে ১০ শতাংশ। তবে যদি ভাবে এত বছর বিনিয়োগকারীরা অপেক্ষা করেছে, তাদেরকে একটু ভালো লভ্যাংশ দেওয়া উচিত তাহলে সেটি বেড়ে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।




কেমন হতে পারে লাফার্জের লভ্যাংশ?

খালেদা জিয়ার সাথে ৯ দেশের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ


বাংলাদেশে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার গুলশানের অফিসে তার সাথে দেখা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রসহ ৯টি দেশের রাষ্ট্রদূত।


মঙ্গলবার রাতে এই সাক্ষাতের পর অস্ট্রেলিয়ার হাই কমিশনার গ্রে উইলকক্স সাংবাদিকদের বলেছেন, প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন তারা।


বিএনপির পক্ষ থেকে বৈঠকের পর কিছু বলা হয় নি। এমন এক সময় এ বৈঠক হলো যখন আগামিকালই আদালতে খালেদা জিয়ার গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহারের শুনানি হবার কথা।


মামলার শুনানীর দিনেই খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করা হতে পারে এমন আশংকা করছেন তার আইনজীবীরা।


এই গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহারের জন্য তাঁর আইনজীবীরা তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতে আবেদন করলেও আদালত তা গ্রহণ না করে বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ অস্থায়ী আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ।


দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলায় খালেদা জিয়ার আদালতে হাজির হওয়ার ক্ষেত্রে তার আইনজীবীরা বেশ কয়েকটি শর্ত তুলে ধরেছেন। আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও আবার নিজ কার্যালয়ে ফেরত যাওয়ার নিশ্চয়তা পেলে আগামীকাল খালেদা জিয়া আদালতে যেতে পারেন।




গুলশানের এ অফিসে অবস্থান করছেন খালেদা জিয়া।

তবে সরকার বলছে, আইনগত বিষয়ে সরকারের দিক থেকে শর্ত পূরণের কিছু নেই।


এর আগে গত ২৫শে ফেব্রুয়ারী বকশীবাজারের ওই বিশেষ আদালতে হাজির না হওয়ায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিলো।


জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেজা জিয়াসহ তিন জনের বিরুদ্ধে ওই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলো আদালত।


একি সাথে ৪ঠা মার্চ তাঁর আদালতে উপস্থিত হওয়ার পরবর্তী তারিখ ধার্য্য করেছিলো আদালত।


খালেদা জিয়া গত ৩রা জানুয়ারি থেকে গুলশানের কার্যালয়ে অবস্থান করছেন।


এর আগের নির্ধারিত দিনে আদালতে হাজির না হওয়ার পর তাঁর আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বিবিসিকে বলেছেন নিরাপত্তার কারণে মিসেস জিয়া আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি।


ওদিকে গত ১লা মার্চ আরেকটি আদালত গুলশানের ওই কার্যালয়ে তল্লাশি চালানোর অনুমতি দেয়।


স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন গ্রেফতারি পরোয়ানা পাওয়ার পর পুলিশ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।




খালেদা জিয়ার সাথে ৯ দেশের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিন হত্যাচেষ্টা মামলা





ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিন হত্যাচেষ্টার মামলায় সাদ-আল-নাহিনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। নাহিন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নুর ভাতিজা। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসিফের ওপর হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন নাহিন।
অভিযোগপত্রভুক্ত অপর নয় আসামির মধ্যে উগ্রপন্থী জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান মুফতি মুহাম্মদ জসীমউদ্দিন রাহমানীও রয়েছেন। জসীমউদ্দিন ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দার হত্যা মামলারও অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি।
২০১৩ সালের ১৪ জানুয়ারি রাতে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরে নিজ কর্মস্থলের সামনে ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিনের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা হয়। পরে মামলাটি তদন্ত করে ডিবি পুলিশ।
ডিবি সূত্র জানায়, তদন্ত শেষে ডিবির পরিদর্শক নিবারণ চন্দ্র বর্মণ সম্প্রতি আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের নাহিন, জসীমউদ্দিনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তাঁদের মধ্যে প্রধান আসামি নাহিনসহ জসীমউদ্দিন, কামাল হোসেন সরদার, কাওছার হোসেন ও কামালউদ্দিন কারাগারে আছেন। বাকি পাঁচ আসামি রেদোয়ানুল আজাদ, নবীর ওরফে নবীন, আবদুল করিম, মানিক ও ফাহিম পলাতক রয়েছেন।
নিবারণ চন্দ্র বর্মণ বলেন, পলাতক আসামি করিম, মানিক ও ফাহিমের পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা পাওয়া গেলে সম্পূরক অভিযোগপত্রে তা উল্লেখ করা হবে।
অভিযোগ রয়েছে, নাহিনকে এই মামলা থেকে বাঁচাতে তদবির ও পুলিশের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। চাপের কারণে বাদীকে চিকিৎসা সনদ পেতেও বেগ পেতে হয়েছিল।
এই অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক গত রোববার প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটা আমি জানি না।’ ভাতিজা নাহিন কীভাবে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সঙ্গে জড়ালেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ও তো বাচ্চা ছেলে, পড়ালেখা করে। হয়তো পোলাপানের সঙ্গে মিশে এই রকম হলো কি না।’
মামলার তদন্ত-তদারক কর্মকর্তা ডিবির উপকমিশনার শেখ নাজমুল আলম জানান, আদালত ইতিমধ্যে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আগামী ৪ এপ্রিল শুনানির দিন ধার্য করেছেন।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গুপ্তচর নিয়োগ, তথ্যপ্রযুক্তি ও বাদীর সহায়তা নিয়ে আসামিদের শনাক্ত করে ২০১৩ সালের ৩১ মার্চ নাহিনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে এই মামলায় জসীমউদ্দিন রাহমানীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। নাহিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগে এমবিএ পড়তেন। তাঁর বাবা নজরুল হক রাজধানীর একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং কিশোরগঞ্জের একটি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান।
তদন্তসংশ্লিষ্ট ও আদালত সূত্র জানায়, ব্লগার আসিফ হত্যাচেষ্টার মামলায় গ্রেপ্তারের পর সাদ-আল-নাহিন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন। জবানবন্দিতে তিনি বলেন, তিনি মুফতি জসীমউদ্দিন রাহমানীর খুতবায় ও বয়ানে অংশ নিতেন। জসীমউদ্দিন খুতবা ও বয়ানে মহানবী (সা.) ও ধর্মকে অবমাননাকারী ব্লগারদের কতল বা খুন করতে উৎসাহিত করেন। জসীমউদ্দিনের বয়ানে উদ্বুদ্ধ ও প্ররোচিত হয়ে তিনি সহযোগীদের নিয়ে ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিনকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেন। এ জন্য তিনি ছুরি ও চাপাতি কেনেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী তিনি ও তাঁর পাঁচ সহযোগী ধারালো অস্ত্র নিয়ে আসিফ মহিউদ্দিনকে হত্যার জন্য হামলা করেন। কিন্তু আসিফ বেঁচে যান। পরে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আসিফের ঘনিষ্ঠজন পরিচয়ে তাঁর ওয়ার্ড ও বিছানা চিনে আসেন। চিকিৎসকের অ্যাপ্রোন পরে ইনজেকশন প্রয়োগে তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করলেও তিনি সফল হতে পারেননি।
অবশ্য নাহিনের বাবা দাবি করেন, ভয় দেখিয়ে নাহিনকে জবানবন্দি দিতে বাধ্য করেছে পুলিশ। নাহিন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সঙ্গে যুক্ত নন।
ব্লগার আসিফের ওপর হামলার এক মাস পর ২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে পল্লবীতে নিজ বাড়ির সামনে একই কায়দায় চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয় ব্লগার রাজীব হায়দারকে। এ মামলায় জসীমউদ্দিনসহ আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। আসামিদের একজন রেদোয়ানুল আজাদ রানা পলাতক। অন্যরা কারাগারে। আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শেষে মামলাটি এখন মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন।
এদিকে বহুমাত্রিক লেখক অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলাটিও আদালতে বিচারাধীন। ইতিমধ্যে কয়েকজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে অমর একুশে বইমেলা থেকে ফেরার পথে টিএসসির কাছে হুমায়ুন আজাদকে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। এ মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিরা হলেন জেএমবির শুহরা সদস্য মিজানুর রহমান, আনোয়ার আলম, নূর মোহাম্মদ (পলাতক) ও সালাহউদ্দিন (পলাতক)।





১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

মির্জাগঞ্জে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে ২০ যাত্রী আহত


বুধবার, মার্চ ৪, ২০১৫ ১২:৪৯ এ.এম


lonch desherbarta

জেলা ডেস্ক, দেশের বার্তা.কম


বরিশাল: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ভিটাখালী লঞ্চঘাটে ঢাকাগামী দুই লঞ্চের সংঘর্ষে প্রায় ২০ যাত্রী আহত হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় এ ঘটনা ঘটে।


প্রত্যক্ষদর্শী লঞ্চ যাত্রী মির্জা খালেদ জানান, বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলা থেকে বিকেল ৪টায় সুন্দরবন-৫ এবং সৈকত-১ নামের দুইটি ডাবলডেকার লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে। আমতলী থেকে ছেড়ে আসা সৈকত-১ লঞ্চটি পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের ভিটাখালী লঞ্চঘাটে পৌঁছে পুরো পল্টুন দখল করে নেয়। কয়েক মিনিট ব্যবধানে সুন্দরবন লঞ্চটি ভিটাখালী ঘাটে পৌঁছায়। কিন্তু সৈকত লঞ্চটি সুন্দরবন লঞ্চকে দীর্ঘ সময়েও ঘাটে নোঙর করার সুযোগ না দেয়ায় দাঁড়িয়ে থাকে। একপর্যায়ে সুন্দরবন নোঙর করার চেষ্টা চালালে দুই লঞ্চের মধ্যে ধাক্কা লাগে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সৈকত লঞ্চের স্টাফরা ইট-পাথর নিক্ষেপ করতে থাকে সুন্দরবনকে উদ্দেশ্য করে। তখন দ্রুত সুন্দরবন ঘাট ত্যাগ করে। ওই হামলায় সুন্দরবন লঞ্চের রফিকুল ইসলাম (৩২), হাসি (১৮), মাহফুজা (৩), সুরমা বেগম (২৭), মোহাম্মদ আলী (২৫) ও আব্দুর রাজ্জাক (২২) রক্তাক্ত জখম হয়। এছাড়া আরো ১৫ যাত্রী ইটের আঘাতে আহত হয়েছে। ওই হামলায় সুন্দরবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান লঞ্চযাত্রীরা।


সুন্দরবন-৫ লঞ্চের মাষ্টার রুহুল আমিন বলেন, ‘আমরা যাতে ভিটাখালী স্টেশন থেকে যাত্রী উঠাতে না পারি এজন্য সৈকত লঞ্চের স্টাফরা ওই স্টেশনে আমাদেরকে নোঙর করতে দেয়নি এবং একপর্যায়ে আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে যাত্রী আহতসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। আমরা সহিংসতায় না গিয়ে দ্রুত ওই স্টেশন ছেড়ে আসি।


এ ব্যাপারে মালিক পক্ষের সিদ্ধানস্ত অনুযায়ী সৈকত লঞ্চের স্টাফদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ এ ব্যাপরে সৈকত লঞ্চের মাষ্টার মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘সুন্দরবন লঞ্চটি আমার লঞ্চের পিছন দিক থেকে ধাক্কা দেয়।


দেশের বার্তা/সাইফবা




মির্জাগঞ্জে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে ২০ যাত্রী আহত